বাংলাদেশে বিধ্বংসী কয়েকটি ঘূর্ণিঝড়

প্রকাশিত: ১:৪৭ পূর্বাহ্ণ, মে ২৩, ২০২০

বাংলাদেশে বিধ্বংসী কয়েকটি ঘূর্ণিঝড়

রাহাত আশরাফ শাওন: বঙ্গোপসাগর উপকূলে পৃথিবীর বৃহত্তম বদ্বীপ, বাংলাদেশ। ফলে এই ভূখণ্ডে প্রায়ই আঘাত হানে, ঘূর্ণিঝড়। বাংলাদেশের ইতিহাসে সবচেয়ে প্রলয়ঙ্করী ঘূর্ণিঝড় হিসেবে বিবেচনা করা হয় ১৯৭০ সালের ঘূর্ণিঝড় এবং ১৯৯১ সালের ঘূর্ণিঝড়কে।

 

বর্তমান বাংলাদেশ ইতিহাসের বিভিন্ন সময় বিভিন্ন নামে পরিচিত থাকলেও এ ঘূর্ণিঝড়গুলো এ অঞ্চলে সংঘটিত হয়েছিল। মানুষের মৃত্যুর তথ্য বিবেচনা করে এ তালিকা তৈরি করা হয়েছে। উল্লেখ্য, বিভিন্ন সূত্রে পাওয়া তথ্যে মৃত মানুষের সংখ্যার কিছু হেরফের হতে পারে।

 

১। ভোলা সাইক্লোন: ১২-১৩ নভেম্বর, ১৯৭০, মৃতের সংখ্যা সরকারি হিসাবে ৩ লাখ, বেসরকারি হিসাবে ৫ লাখ।

১৯৭০ সালের ভোলা ঘূর্ণিঝড় ছিল একটি শক্তিশালী ক্রান্তীয় ঘূর্ণিঝড় যা ১৯৭০ সালের ১৩ই নভেম্বর তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের (বর্তমান বাংলাদেশ-এর) দক্ষিণাঞ্চলে আঘাত হানে। এ পর্যন্ত রেকর্ডকৃত ঘূর্নিঝড়সমূহের মধ্যে এটি সবচেয়ে ভয়াবহ ঘূর্নিঝড় এবং এটি সর্বকালের সবচেয়ে ভয়ঙ্করতম প্রাকৃতিক দুর্যোগের একটি।এ ঝড়ের কারণে প্রায় ৫ লাখ মানুষ প্রাণ হারায়। যার অধিকাংশই গাঙ্গেয় বদ্বীপের সমুদ্র সমতলের ভূমিতে জলোচ্ছ্বাসে ডুবে মারা যান। এটি ১৯৭০-এর উত্তর ভারতীয় ঘূর্ণিঝড় মৌসুমের ৬ষ্ঠ ঘূর্ণিঝড় এবং মৌসুমের সবচেয়ে শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড় ছিল। এটি সিম্পসন স্কেলে ‘ক্যাটাগরি ৩’ মাত্রার ঘূর্ণিঝড় ছিল।

 

ঘূর্ণিঝড়টি বঙ্গোপসাগরে ৮ই নভেম্বর সৃষ্ট হয় এবং ক্রমশ শক্তিশালী হতে হতে এটি উত্তর দিকে অগ্রসর হতে থাকে। ১১ই নভেম্বর এটির গতিবেগ সর্বোচ্চ ঘণ্টায় ১৮৫ কিমি (১১৫ মাইল) এ পৌঁছায় এবং সে রাতেই তা উপকূলে আঘাত করে। জলচ্ছাসের কারণে পূর্ব পাকিস্তানের দক্ষিণ উপকূলীয় অঞ্চল ও দ্বীপসমূহ প্লাবিত হয়। এতে ঐসব এলাকার বাড়ি-ঘর, গ্রাম ও শস্য স্রোতে তলিয়ে যায়। সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্থ এলাকা ছিল তজুমদ্দিন উপজেলা, সেখানে ১৬৭০০০ জন অধিবাসীর মধ্যে ৭৭০০০ জনই (৪৬%) প্রাণ হারায়।

 

পাকিস্তানের সামরিক সরকার এমন ভয়াবহ প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের পরও জরুরি ত্রাণকার্য পরিচালনায় গড়িমসি করে। ঘূর্ণিঝড়ের পরও যারা বেঁচে ছিল তারা মারা যায় খাবার আর জলের অভাবে। ঘূর্ণিঝড়ের এক সপ্তাহ পরে প্রেসিডেন্ট ইয়াহিয়া খান স্বীকার করে সরকার দুর্যোগের ভয়াবহতা বুঝতে না পারার কারণেই ত্রাণকার্য সঠিকভাবে পরিচালনা করা সম্ভব হয়নি। ঘূর্ণিঝড়ে বিপর্যস্ত মানুষগুলোর প্রতি পাকিস্তান সরকারের এমন নিষ্ঠুরতা দেখে পূর্ব পাকিস্তানের সাধারণ মানুষ ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠে।

 

২৪শে নভেম্বর এক সভায় মাওলানা ভাসানী পাকিস্তানের প্রেসিডেন্টের বিরুদ্ধে অদক্ষতার অভিযোগ তোলেন এবং অবিলম্বে তার পদত্যাগ দাবি করেন। তৎকালীন বিরোধীদল আওয়ামী লীগ নির্বাচনে বিপুল ভোটে প্রাদেশিকভাবে জয়লাভ করে এবং ঘটনাপ্রবাহে ইতিহাসে প্রথমবারের মত একটি প্রাকৃতিক ঘটনা একটি দেশে স্বাধীনতা যুদ্ধের অন্যতম কারণ হয়ে দাঁড়ায়।[

 

২। ১৫৮২ সালের ঘূর্ণিঝড়: ১৫৮২ সাল, মৃতের সংখ্যা ২ লাখ।

আইন-ই-আকবরি, রিয়াস-উস-সালাতিন এবং বিভিন্ন প্রাচীন নথিপত্রের সূত্র উল্লেখ করে সার্ক প্রকাশিত (১৯৯৮) একটি গবেষণা জানাচ্ছে, ১৫৮২ সালে বাকেরগঞ্জ অঞ্চলে একটি প্রলয়ংকরী ঘূর্ণিঝড় সংঘটিত হয়েছিল। এই ঘূর্ণিঝড়ের বিস্তারিত তথ্য জানা যায় না।

 

৩। গ্রেট বাকেরগঞ্জ সাইক্লোন, ৩১ অক্টোবর-১ নভেম্বর, ১৮৭৬, মৃতের সংখ্যা ২ লাখ।

১৮৭৬ সালের বাকেরগঞ্জ ঘূর্ণিঝড় (অক্টোবর ২৯ – নভেম্বর ১, ১৮৭৬) প্রাণহানির ও ভয়ঙ্করের দিক থেকে পৃথিবীর ঘূর্ণিঝড়-এর ইতিহাসে ষষ্ঠ স্থান নিয়ে আছে। ৩১ অক্টোবর ১৮৭৬ সালে বাকেরগঞ্জের উপকূলের (মেঘনার মোহনার ‍নিকটে) উপর দিয়ে বয়ে যায় এই প্রলয়ঙ্করী ঘূর্ণিঝড়।

 

২৭শে অক্টোবর, দক্ষিণ বঙ্গোপ্রসাগর (আনুমানিক) ১০.০ ডিগ্রি উত্তর এবং ৮৯.০ ডিগ্রি পূর্ব হতে ঘূর্ণিঝড়ের উৎপত্তি হয় এবং এর ফলশ্রুতিতে সকাল থেকেই নিন্মচাপের সৃষ্টি হয়, যা ৩০শে অক্টোবর ১৫ ডিগ্রি উত্তর ৮৯ ডিগ্রি পূর্ব এ তীব্রতর আকার ধারন করে এবং উত্তর-উত্তরপূর্ব দিকে এগিয়ে যেতে থাকে।

 

৩১ অক্টোবর প্রবল সামুদ্রিক ঝড়ের আকার নিয়ে বাকেরগঞ্জএর উপকূলের উপর দিয়ে বয়ে যায়। ঝড়ের কেন্দ্র ৩-১৩.৬ মিটার, বাতাসের তীব্রতা ২২০ কিমি/ঘণ্টা (১৪০ মাইল/ঘণ্টা) এবং পানি সমুদ্রতটের থেকে স্বাভাবিকের থেকে ৪০ ফিট (১২ মিটার) উপর দিয়ে বয়ে যায়।

 

মেঘনা মোহনা এবং চট্টগ্রাম, বরিশাল ও নোয়াখালী উপকূলে তীব্র ঝড়ো জলোচ্ছ্বাস ও প্লাবন সংঘটিত হয়। ঘূর্ণিঝড়ে বাকেরগঞ্জের নিন্ম অঞ্চল সম্পূর্ণভাবে প্লাবিত হয়ে যায়, ঝড়ে আক্রান্ত ব্যতিত সমপরিমান মানুষ ঝড় পরবর্তী বিভিন্ন অসুখ ও অনাহরে মৃত্যুবরন করে। আনুমানিক হিসাবে ২ লক্ষ মানুষ এর প্রাণহানী ঘটে এই ঘূর্ণিঝড়ে।আরও অধিক মানুষ মারা যায় দুর্যোগ পরবর্তী মহামারী এবং দুর্ভিক্ষে।

 

৪। ১৯৯১ সালের প্রলয়ংকরী ঝড়: ২৫-৩০ এপ্রিল ১৯৯১ মৃতের সংখ্যা প্রায় ১ লাখ ৩৮ হাজার।

১৯৯১ সালের ঘূর্নিঝড় (IMD পরিচিতিঃ BOB 01, JTWC পরিচিতিঃ 02B) নিহতের সংখ্যা বিচারে স্মরনকালের ভয়াবহতম ঘূর্ণিঝড়গুলির মধ্যে একটি। এটি ১৯৯১ সালের ২৯শে এপ্রিল বাংলাদেশে দক্ষিণপূর্ব চট্টগ্রাম বিভাগের উপকূলীয় অঞ্চলে প্রায় ২৫০কিমি/ঘণ্টা বেগে আঘাত করে। এই ঘূর্ণিঝড়ের ফলে ৬মিটার (২০ ফুট) উচ্চতার জলোচ্ছ্বাস উপকূলীয় এলাকা প্লাবিত করে এবং এর ফলে প্রায় ১,৩৮,০০০ মানুষ নিহত হয় এবং প্রায় ১ কোটি মানুষ তাদের সর্বস্ব হারায়।

 

মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে ২২শে এপ্রিল, ১৯৯১ বঙ্গোপসাগরে একটি গভীর নিম্মচাপের সৃষ্টি হয়। বাতাসে গতিবেগের ও নিম্মচাপের আকার বৃদ্ধির সাথে সাথে এটি ২৪শে এপ্রিল 02B ঘুর্নিঝড়ে রূপ নেয়। ঘুর্নিঝড়টি উত্তর-পূর্বদিকে অগ্রসর হওয়ার সাথে সাথে এর শক্তি আরও বাড়তে থাকে। ২৮ ও ২৯ এপ্রিল এটির তীব্রতা প্রচন্ড বৃদ্ধি পায় এবং গতিবেগ ১৬০ মাইল/ঘণ্টায় পৌছায় যা একটি ক্যাটাগরী-৫ ঘূর্নিঝড়ের সমতুল্য। ২৯শে এপ্রিল রাতে এটি চট্টগ্রামের উপকূলবর্তি অঞ্চলে ১৫৫ মাইল/ঘণ্টা বেগে আঘাত করে যা ক্যাটাগরী-৪ ঘূর্নিঝড়ের সমতুল্য। স্থলভাগে আক্রমণের পর এর গতিবেগ ধীরে ধীরে হ্রাস পায় এবং ৩০শে এপ্রিল এটি বিলুপ্ত হয়।

 

এই ঘূর্নিঝড়ে প্রায় ১ লক্ষ ৩৮ হাজার মানুষ নিহত হয়। এদের বেশিরভাগই নিহত হয় চট্টগ্রাম জেলার উপকূল ও উপকূলীয় দ্বীপসমূহে। সন্দ্বীপ, মহেশখালী, হাতিয়া ইত্যাদী দ্বীপে নিহতের সংখ্যা সর্বাধিক। যাদের মধ্যে বেশিরভাগই ছিল শিশু ও বৃদ্ধ। ১৯৭০ এর ভোলা ঘূর্নিঝড়ের পর অনেক সাইক্লোন শেল্টার নির্মাণ করা হলেও সচেতনতা ও অজ্ঞাতার কারণে অনেকেই সাইক্লোনের মাত্র ঘণ্টাখানেক আগে সেখানে আশ্রয় নেয়। অনেকেই ঝড়ের ভয়াবহতা বেশি হবে না এই আশায় আশ্রয় কেন্দ্রে উপস্থিত হয় নি। ধারণা করা হয় প্রায় ২০ লক্ষ লোক আশ্রয়কেন্দ্রে না গিয়ে বিপদজনক স্থানে অবস্থানের কারণে ঘূর্নিঝড়ে আক্রান্ত হয়।

 

ধারণা করা হয় এই ঘূর্নিঝড়ের কারণে প্রায় ১.৫ বিলিয়ন ডলারের (১৯৯১ মার্কিন ডলার) ক্ষতি হয়। সাগর ও নদীর উপকূল প্লাবিত হয়। কর্নফুলি নদীর তীরে কঙ্ক্রিটের বাঁধ থাকলেও এটি জলচ্ছাসে ধ্বংস হয়। চট্টগ্রাম বন্দরের ১০০টন ওজনের একটি ক্রেন ঘূর্নিঝড়ে আঘাতে স্থানচ্যুত হয় এবং আঘাতের কারণে টুকরো টুকরো অংশে বিভক্ত হয়। বন্দরে নোঙর করা বিভিন্ন ছোট বড় জাহাজ, লঞ্চ ও অন্যান্য জলযান ও আকাশ নিখোজ ও ক্ষতিগ্রস্ত হয় যার মধ্যে নৌবাহিনী ও বিমানবাহিনীর অনেক যানও বিদ্যমান। প্রায় ১০ লক্ষ ঘড়-বাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয় এতে ১ কোটি মানুষ বাস্তুহারা হয়ে পরে।

 

৫। ১৮২২ সালের ঘূর্ণিঝড়: জুন, ১৮২২ মৃতের সংখ্যা: ৫০ হাজার।

ঘূর্ণিঝড়টি সংঘটিত হয়েছিল ১৮২২ সালের জুন মাসে। বরিশাল-বাকেরগঞ্জ অঞ্চলে হয়ে যাওয়া এ ঘূর্ণিঝড়ে ৫০ হাজার মানুষের প্রাণহানি হয়। এ ছাড়া প্রায় ১ লাখ গবাদিপশু মারা যায় এ ঝড়ে।

 

৬। ১৭৬৭ সালের ঘূর্ণিঝড়: মৃতের সংখ্যা: ৩০ হাজার।

বরিশাল-বাকেরগঞ্জের উপকূলীয় অঞ্চলে একটি ঘূর্ণিঝড়ে ৩০ হাজার মানুষের প্রাণহানি হয়েছিল বলে জানা যায়। এ ঝড়ে সৃষ্ট জলোচ্ছ্বাসের উচ্চতা ছিল ১৩ দশমিক ৩ মিটার বা ৪৩ ফুট।

 

৭। ১৮৩১ সালের ঘূর্ণিঝড়: ৩১ অক্টোবর, ১৮৩১ মৃতের সংখ্যা ২২ হাজার।

এ ঝড়ে ভারতের ওডিশা উপকূলও প্লাবিত হয়। জলোচ্ছ্বাসে সৃষ্টি হওয়া ঢেউয়ের সর্বোচ্চ উচ্চতা ছিল ১৫ ফুট। বাংলা ও ভারতের উপকূলবর্তী এলাকায় এ ঝড়ে মৃত্যুবরণ করে ২২ হাজার মানুষ। এ ছাড়া এতে ৫০ হাজার গবাদিপশুর মৃত্যু রেকর্ড করা হয়।

 

৮। ১৯৬৩ সালের ঘূর্ণিঝড়: ২৮-২৯ মে, ১৯৬৩ মৃতের সংখ্যা সরকারি হিসাবে ১১ হাজার ৫২০, বেসরকারি হিসাবে ২২ হাজার।

এ ঘূর্ণিঝড় সংঘটিত হয়েছিল চট্টগ্রাম, সন্দ্বীপ এবং নোয়াখালী জেলায়। এর উৎপত্তি হয়েছিল উত্তর আন্দামান সাগরে। এটি ২৮ মে রাতে সীতাকুণ্ড দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করে। এর সর্বোচ্চ বাতাসের গতিবেগ রেকর্ড করা হয় ঘণ্টায় ১৬৭ কিলোমিটার। ঢেউয়ের সর্বোচ্চ উচ্চতা ছিল ২০ ফুট।

 

৯। সিডর: ১৫ নভেম্বর, ২০০৭, মৃতের সংখ্যা ১০ হাজার (রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি) সরকারি হিসাব: ৬ হাজার

বঙ্গোপসাগর এলাকায় সৃষ্ট ঘূর্ণিঝড় সিডর। এটি ০৬বি টাইপ ঘূর্ণিঝড়। এ ঝড়ে বাতাসের বেগ ছিল ঘণ্টায় ২৬০ কিলোমিটার। এ কারণে সাফির-সিম্পসন স্কেল অনুযায়ী এটি ক্যাটাগরি-৫ মাত্রার ঘূর্ণিঝড় হিসেবে চিহ্নিত। খুলনা-বরিশাল উপকূলীয় এলাকা লন্ডভন্ড করে দেওয়া ঘূর্ণিঝড়টির সময় জলোচ্ছ্বাসের উচ্চতা ছিল ১৫ থেকে ২০ ফুট।

 

১০। ঘূর্ণিঝড় আইলা:

২০০৯ সালের ২৫শে মে পশ্চিমবঙ্গ-খুলনা উপকূলীয় এলাকায় আঘাত হানা প্রবল ঘূর্ণিঝড় আইলা, যার বাতাসের গতিবেগ ছিল ৭০-৯০ কিলোমিটার পর্যন্ত।

 

তথ্যসূত্র: উইকিপিডিয়া

↑ Disaster; East Pakistan: Cyclone May Be The Worst Catastrophe of Century

↑ “NOAA Researcher’s Warning Helps Save Lives in Bangladesh”।

↑ “A Critical Juncture Analysis, 1964–2003” (PDF)। USAID।

↑ Staff writer (১৮ নভেম্বর ১৯৭০)। “Copter Shortage Balks Cyclone Aid”। New York Times।

↑ Durdin, Tillman (১১ মার্চ ১৯৭১)। “Pakistanis Crisis Virtually Halts Rehabilitation Work In Cyclone Region”। New York Times।

↑ Staff writer (২৩ নভেম্বর ১৯৭০)। “East Pakistani Leaders Assail Yahya on Cyclone Relief”। New York Times। Reuters।

 

জুড়ীনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম/এফপি/আরএএস