ট্রেনে নিয়ম ভাঙার প্রতিযোগিতা

প্রকাশিত: ১১:৫০ অপরাহ্ণ, আগস্ট ২৪, ২০২০

ট্রেনে নিয়ম ভাঙার প্রতিযোগিতা

মনিরুল ইসলাম: করোনা ভাইরাসের মহামারীতে জনসাধারণ যাতে শারীরিক দুরত্ব বজায় রেখে যাতায়াত করতে পারেন সেজন্য ট্রেনে একটি সীট খালি রেখে টিকেট দেওয়া হচ্ছে। অথচ এক সিট ফাঁকা তো দূরের কথা একজন আরেকজনের সাথে চাপাচাপি করে যাতায়াত করছে।

 

গত রোববার সিলেট থেকে চট্টগ্রামগামী পাহাড়িকা এক্সপ্রেস ট্রেনের অনেক বগিতে এরকম দৃশ্য দেখা যায়। অন্যদিকে ট্রেনে দায়িত্বরতরা মহা ব্যস্ত। যারা অনলাইনে টিকেট সংগ্রহ করতে পারেনি তাদের সেবা যত্ন করছে ট্রেনে দায়িত্বরত এটেনডেন্টরা। তবে সেবাযত্নের বিনিময়ে নিচ্ছেন ৫০০ থেকে ৭০০ টাকা।

 

ট্রেনের যাত্রী আব্দুল মালিক (৩০) অভিযোগ করেন, অনলাইনে টিকিট সংগ্রহ করতে না পারায় টিকেট ছাড়া ট্রেনে উঠি। ট্রেনে উঠার পর আমার কাছ থেকে দায়িত্বরত এটেনডেন্ট আমাকে চট্টগ্রাম গিয়ে গেট পাস করিয়ে দেবার কথা বলে ৬০০ টাকা নিয়েছেন।

 

আব্দুল মালিকের সাথে সুর মেলান অনেক যাত্রী যারা অনলাইনে টিকিট ক্রয় করে ওঠেছেন। হাফিজুল ইসলাম নামের একযাত্রী ট্রেনে দায়িত্বরতদের পাশাপাশি টিকিট ছাড়া ট্রেনে উঠা যাত্রীদেরও দোষারোপ করেন। তিনি বলেন আমরা সুযোগ করে দেই বলেই তারা দূর্ণীতি আর অনিয়মের সুযোগ পায়।

 

যাত্রীদের দাবী, সত্যিকার ভাবে শারিরীক ও সামাজিক দুরত্ব বজায় রাখতে হলে গণপরিবহনে আরও সজাগ দৃষ্টি দেয়া উচিৎ সংশ্লিষ্টদের।